ঘন ঘন মাসিক হয় কেন | মাসিক নিয়মিত করার ট্যাবলেট এর নাম


ঘন ঘন মাসিক হয় কেন
 ঘন ঘন মাসিক হয় কেন



সম্মানিত পাঠক গন আশা করি সবাই ভাল আছেন আজ আপনাদের সাথে কথা বলবো। ঘন ঘন মাসিক হয় কেন  তা নিয়ে।যেমনঃঘন ঘন মাসিক হয় কেন?ঘন ঘন মাসিক হলে কি করণীয়?এক মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার কারণ ও প্রতিকার?ছেলেদের মাসিক হয় কেন?১৫ দিন পর পর মাসিক হওয়ার কারণ কি? সাত দিনের বেশি মাসিক হলে? মাসিক দেরিতে হয় কেন?পিরিয়ড ১০ দিনের বেশি হলে?মাসিক হওয়ার ট্যাবলেট এর নাম? ইত্যাদি সম্পর্কে বলুন বন্ধুরা আমরা আমাদের মূল আলোচনায় চলে যাই। মোটা ও লম্বা হওয়ার ঔষধ মাত্র ২২০ টাকা থেকে শুরু ঔষধ কিনতে ক্লিক করুন  - এখনই ঔষধ কিনুন


     ঘন ঘন মাসিক হয় কেন


    অনলাইনে ছেলেদের ও মেয়েদের যাবতীয় পার্সোনাল ও গোপনীয় পণ্যসামগ্রী সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কসমেটিক সামগ্রী দেশের সবচেয়ে কম দামে ক্রয় করতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট gazivai.com মেয়েদের গুপ্ত স্থান মেয়েদের পু -শি  ক্রয় করার জন্য ক্লিক করুন - এখনই কিনুন


    নারীদের জন্য মাসিক একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। নারীস্বাস্থ্য সচল রয়েছে কিনা, সেটা অনেকসময় বোঝা যায় মাসিক কতটা নিয়মিত হচ্ছে- তা থেকেই। প্রতি মাসের শেষে নির্দিষ্ট সময়ের মাসিক হওয়া মানে, আপনার শরীর সুস্থ এবং সন্তান ধারণের যোগ্য অবস্থায় আছে।

    তবে অনেক নারীই অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা ভোগ করে থাকেন। অনেকে জানেনও না, কেন অনিয়মিত হয় মাসিক। জেনে নিন সেরকম তিনটি কারণ।

    ১. উচ্চ মানসিক চাপ

    মস্তিষ্কে রয়েছে হাইপোথ্যালামাস নামের একটি বিশেষ অংশ, যেখান থেকে প্রতিনিয়ত নিঃসরিত হয় নানা ধরণের হরমোন। এরমধ্যে কিছু হরমোন রয়েছে, যা নারীদেহের মাসিকের জন্য প্রভাবকের কাজ করে। কিন্তু অতিরিক্ত মানসিক চাপে ভুগলে অনেক সময় হাইপোথ্যালামাস ঠিকমতো কাজ করেনা। যার ফলে মাসিক শুরু হতে দেরি হয়। 

    ২. কম ওজন

    আজকের দিনে ওজন বেড়ে যাওয়াটাকেই সমস্যার চোখে দেখা হয়, ওজন কমাটাকে না। কিন্তু নারীদের জন্য অতিরিক্ত ওজন কমাটাও স্বাস্থ্যহানীর কারণ হতে পারে। বিশেষ করে ২০ বছরের ওপরের নারীদের জন্য বিএমআই (বডি মাস ইনডেক্স, উচ্চতা অনুযায়ী ওজনের হার) ১৮ থেকে ১৯-এ নেমে গেলে মাসিক অনিয়মিত হতে শুরু করে। তাই সুস্বাস্থ্যের জন্য সঠিক ওজন রক্ষা করাটাও খুব জরুরি।

    ৩. হরমোনের ভারসাম্যহীনতা

    অনিয়মিত মাসিকের অন্যতম কারণ হরমোনের ভারসাম্যহীনতা। হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে বেশিরভাগ সময় নারীদের মধ্যে দেখা যায় পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম। এর ফলে জরায়ূর ভেতরে সিস্ট তৈরি হওয়ার কারণে মাসিক হয়ে পড়ে অনিয়মিত। এতে অনেক সময় দীর্ঘসময়ের বন্ধাত্বও ভোগ করতে পারে নারীরা।


    ঘন ঘন মাসিক হলে কি করণীয়


    যেকোনো বয়সী নারীর অনিয়মিত ঋতুস্রাব হতে পারে। নারীর ঋতুচক্র বা পিরিয়ড সাধারণত ২৮ দিন পরপর হয়। ২৮ দিনের ৭ দিন আগে বা পরে, অর্থাৎ ২১ থেকে ৩৫ দিন পরপর হলেও তা যদি নিয়মিত ব্যবধানে হয়, তাকেও স্বাভাবিক হিসেবে ধরা হয়। তবে ২১ দিনের আগে বা ৩৫ দিনের পরে হলে এবং তা যদি ৩ দিনের কম বা ৭ দিনের বেশি স্থায়ী হয়, তখন তাকে অনিয়মিত ঋতুচক্র বলে।

    ঘন ঘন মাসিক হলে কি করণীয়

                            আরো পড়ুনঃ গোপনাঙ্গ ফর্সা করার ক্রিম কিনতে ক্লিক- এখনই কিনুন

    চিকিৎসকের কাছে যাবেন কখন


    1.২১ দিনের আগে বা ৩৫ দিনের পর ঋতুস্রাব হলে।


    2.দুই ঋতুচক্রের মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান দিন দিন পরিবর্তিত হতে থাকলে।


    3 .পিরিয়ডের স্থায়িত্ব যদি ৩ দিনের কম বা ৭ দিনের বেশি হয়।


    4. ঋতুস্রাবের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত এবং পেটে অসহ্য ব্যথা অনুভব করলে।


    5.বছরে তিনবার বা তার কম ঋতুস্রাব হলে।


    এক মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার কারণ ও প্রতিকার


     নারী শরীরে অনিয়মিত ঋতুস্রাব (PERIOD) একটি প্রচলিত সমস্যা। সাধারণত একজন নারীর জীবনে ঋতুচক্র শুরু হওয়ার পর থেকে ২১ দিন থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে যেটি হয় সেটি নিয়মিত ঋতুস্রাব (PERIOD) । আর যদি ২১ দিনের আগে বা ৩৫ দিনের পরে হয় তবে সেটিকে অনিয়মিত ঋতুস্রাব বলে।

    এক মাসে দুইবার মাসিক হওয়ার কারণ ও প্রতিকার

                           আরো পড়ুনঃ ফর্সা হওয়ার কোরিয়ান বডি লোশন কিনতে ক্লিক- এখনই কিনুন

    অনিয়মিত ঋতুস্রাব (PERIOD) সাধারণত যৌবনের প্রারম্ভে এবং যৌবন শেষে হতে পারে

    অনিয়মিত ঋতুস্রাব সাধারণত যৌবনের প্রারম্ভে এবং যৌবন শেষে হতে পারে। যৌবনের প্রারম্ভে সাধারণত ১২ থেকে ২০ বছর বয়সে কারো শরীরের ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোন যদি অপরিপক্ব (প্রিমেচিউর) থাকে তবে অনিয়মিত ঋতুস্রাব (PERIOD) হয়। আবার নারী শরীরে মেনোপজ শুরু হওয়ার আগে এ ধরনের সমস্যা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের শারীরিক জটিলতার কারণেও এই সমস্যা হতে পারে।


    অনিয়মিত ঋতুস্রাবের (PERIOD) কারণ

    শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের তারতম্যের কারণে এই সমস্যা হয়।

    বিবাহিত নারীরা হঠাৎ জন্মনিয়ন্ত্রক ওষুধ বন্ধ করে দিলে হতে পারে।

    বিভিন্ন ধরনের মানসিক চাপের ফলে হতে পারে।


    ছেলেদের মাসিক হয় কেন


    ছেলেরাও মানুষ আবার মেয়েরাও মানুষ কিন্তু ছেলেদের শরীরের গঠন আর মেয়েদের শরীরের গঠন এক নয়। সৃষ্টিকর্তা এভাবেই তৈরি করেছেন এবং একজন নারীকে ভবিষ্যতে সন্তান সম্ভবা হতে শারীরিক ভাবে প্রস্তুত করে এই মাসিক প্রক্রিয়া। ছেলেরা গর্ভধারণ করে না তাই ছেলেদের মাসিক হয় না।

    ছেলেদের মাসিক হয় কেন

                       আরো পড়ুনঃ ফর্সা হওয়ার কোরিয়ান হোয়াইটিং ক্রিম কিনতে ক্লিক- এখনই কিনুন

     নারীদের প্রজনন প্রক্রিয়ায় প্রভাবকারী একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হচ্ছে মাসিক। ডিম্বাশয়, ডিম্বাশয় হতে বহির্গত হবার নালী (Fallopian tube), জরায়ু, এন্ডোমেট্রিয়াম (Endometrium) এবং যোনির সমন্বয়ে তৈরী প্রজনন অঙ্গ তলপেটে অবস্থিত। মাসিক চক্রের সময় শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে হরমোন নিঃসৃত হয়। 


    এই হরমোনে আছে এসট্রোজেন এবং প্রজেসটেরোন যা শরীরকে গর্ভবস্থার জন্য তৈরি ও নিয়ন্ত্রণ করে। সাধারণত, প্রতি ২৮ দিন পরপর ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু নি:সৃত হয়, যা জরায়ুর দুই পাশের নালী (Fallopian tube) দিয়ে জরায়ুর মধ্যে প্রবেশ করে। গর্ভধারণ না করলে, অনিষিক্ত ডিম্বাণু এবং জরায়ুর আবরণ (এন্ডোমেট্রিয়াম) একত্রে প্রত্যেক চক্রে শরীর থেকে ঝরে যায়। একেই মাসিক তৈরী হওয়া বা রজ:স্রাব (Menstruation) বলা হয়।

     

    ১৫ দিন পর পর মাসিক হওয়ার কারণ কি


    যেমন- অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করা, ক্যাফেইন জাতীয় খাবার গ্রহণ যেমন অতিরিক্ত কফি পান করা, স্ট্রেস নেওয়া, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস করা, অপরিচ্ছন্ন থাকা, মদ্যপান বা ধূমপান করা ইত্যাদি। টিনেজার ও মধ্যবয়সী নারীদের মধ্যে অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর পেছনের কারণটি হলো হরমোন।

    ১৫ দিন পর পর মাসিক হওয়ার কারণ কি

                             আরো পড়ুনঃ ফর্সা হওয়ার কোরিয়ান সুথিং জেল কিনতে ক্লিক- এখনই কিনুন

    নারী শরীরে অনিয়মিত ঋতুস্রাব একটি প্রচলিত সমস্যা। সাধারণত একজন নারীর জীবনে ঋতুচক্র  শুরু হওয়ার পর থেকে  ২১ দিন থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে যেটি হয় সেটি নিয়মিত ঋতুস্রাব। আর যদি ২১ দিনের আগে বা ৩৫ দিনের পরে হয় তবে সেটিকে অনিয়মিত ঋতুস্রাব বলে।


    সাত দিনের বেশি মাসিক হলে


    মাসিক শুরুর পর যে কোনো বয়সের নারীদেরই অনিয়মিত মাসিক ঋতুস্রাবের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সাধারণত ২৮ দিনের সাত দিন আগে বা সাত দিন পরে মাসিক হলে এবং মাসিকের মেয়াদ পাঁচ দিনেরও বেশি সময় ধরে চলতে থাকলে তা অনিয়মিত বলে ধরা হয়। আবার দেরিতে মাসিক হওয়া বা মিস করাও অনিয়মিত মাসিকের মধ্যেই পড়ে।


    আসুন জেনে নেই 2টি ঘরোয়া সমাধান সম্পর্কে যার মাধ্যমে ঔষধ না খেয়েও অনিয়মিত মাসিকের সমস্যা দূর করার চেষ্টা করতে পারেন-


    ১) কাঁচা পেপে: কাঁচা পেপে পিরিয়ড রেগুলেশন-এ সাহায্য করে। এটি জরায়ুর মাসল ফাইবার কন্ট্রাকশন-এ সাহায্য করে। পর পর কয়েক মাস নিয়মিত কাঁচা পেপের রস খেলে পিরিয়ড নিয়মিত হয়, তবে পিরিয়ড চলাকালীন এটি না খাওয়াই ভালো। পিরিয়ড নিয়মিত করা ছাড়াও কাঁচা পেপে হজমে সাহায্য করে, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে এবং ত্বক মসৃণ রাখে।


    ২) কাঁচা হলুদ: হলুদ মসলা জাতীয় দ্রব্য হলেও প্রাচীন কাল থেকেই চিকিৎসা শাস্ত্রে এর ব্যবহার নানামুখী। এটি পিরিয়ড নিয়মিত করতে এবং শরীরে হরমোন ব্যাল্যান্স ঠিক রাখতে সাহায্য করে। কাঁচা হলুদ জরায়ুর মাংসপেশী সঙ্কোচন-প্রসারণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং এর অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ পিরিয়ড-এর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। এক কাপ দুধে চা চামচের চার ভাগের এক ভাগ কাঁচা হলুদ নিয়ে মধু বা গুড় দিয়ে কিছুদিন খেয়ে দেখুন, পরিবর্তন নিজেই টের পাবেন।


    মাসিক দেরিতে হয় কেন


    মনোনিউক্লিওসিস, ঠাণ্ডা, সর্দি, গলার ইনফেকশন- এ ধরনের সমস্যায় পিরিয়ড দেরিতে হতে পারে। তবে বড় কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা যেমন থাইরয়েডের সমস্যা বা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমের কারণেও পিরিয়ড দেরিতে হতে দেখা যায়। নিয়মিত মাসিক হলে শরীরের হরমোনাল ব্যালেন্স ঠিক থাকে। তবে অনিয়মিত পিরিয়ড বিভিন্ন সমস্যা তৈরি করতে পারে।


    অনিয়মিত পিরিয়ড বা একেবারেই পিরিয়ড বন্ধ হওয়া পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোমের (POS) জন্য হয়ে থাকে। তবে আরও অনেক কারণ আছে, যার জন্য পিরিয়ড নিয়মিত হয় না। যেমন- অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করা, ক্যাফেইন জাতীয় খাবার গ্রহণ যেমন অতিরিক্ত কফি পান করা, স্ট্রেস নেওয়া, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস করা, অপরিচ্ছন্ন থাকা, মদ্যপান বা ধূমপান করা ইত্যাদি।


    টিনেজার ও মধ্যবয়সী নারীদের মধ্যে অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর পেছনের কারণটি হলো হরমোন। আর লম্বা সময় স্ট্রেসে থাকলে অনেকেরই মাসিক দেরিতে হতে পারে।


    এ ছাড়া একজন নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিলেন, কিন্তু তা জানতেন না। এর পর নিজে থেকেই তার মিসক্যারিজ বা গর্ভপাত হয়ে যেতে পারে। এ ঘটনায় সাধারণ পিরিয়ডের তুলনায় কিছু দিন পর বেশি রক্তপাত হতে পারে, যাকে অনেকেই দেরিতে মাসিক হওয়া বলে ধরে নেন।


    ওজন কম হলে সময়মতো পিরিয়ড নাও হতে পারে। এমনকি কিছু দিন বন্ধও থাকতে পারে। জরায়ুতে টিউমার ধরনের এক ধরনের বৃদ্ধি হলো ফাইব্রয়েডস। এগুলো পিরিয়ডের স্বাভাবিক চক্রকে বাধা দিতে পারে।

    আরো পড়ুনঃ প্রান কোম্পানি চাকরি ? মাসে বেতন কত

    পিরিয়ড ১০ দিনের বেশি হলে


    যদি কোনো মহিলার ৩, ৪ বা ৫-৯ দিন মাসিক হওয়ার অভ্যাস থাকে, কিন্তু হঠাৎ কোনো মাসে ১০ দিনের বেশি মাসিক হয়। তখন তার পূর্বে যতদিন মাসিক হওয়ার অভ্যাস ছিল, ঠিক ততদিন হচ্ছে মাসিক অর্থাৎ ঠিক ততদিন তার মাসিকের হিসাব ধরবে। আর বাকি দিনগুলো ইস্তেহাযা (রোগ) ধরবে


    শরীয়তের বিধান অনুযায়ী হায়েযের সর্বোচ্ছ সময়সীমা ১০দিন।

    এ ১০দিনের ভিতর লাল,হলুদ,সবুজ,লাল মিশ্রিত কালো বা নিখুত কালো যে কালারের-ই পানি বের হোক না কেন তা হায়েয হিসেবেই গণ্য হবে।যতক্ষণ না নেপকিন সাদা নজরে আসবে। (বেহেশতী জেওর-১/২০৬)  


    উম্মে আলক্বামাহ তথা মার্জনা (مَوْلاَةِ عَائِشَةَ) হইতে বর্ণিত,


    عن أم علقمة أَنَّهَا قَالَتْ : " كَانَ النِّسَاءُ يَبْعَثْنَ إِلَى عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ بِالدُّرْجَةِ فِيهَا الْكُرْسُفُ فِيهِ الصُّفْرَةُ مِنْ دَمِ الْحَيْضَةِ يَسْأَلْنَهَا عَنْ الصَّلَاةِ فَتَقُولُ لَهُنَّ لَا تَعْجَلْنَ حَتَّى تَرَيْنَ الْقَصَّةَ الْبَيْضَاءَ تُرِيدُ بِذَلِكَ الطُّهْرَ مِنْ الْحَيْضَةِ "


    তিনি বলেনঃ (ঋতুমতী) স্ত্রীলোকেরা আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট ঝোলা বা ডিবা (دُرْجَة) পাঠাইতেন, যাহাতে নেকড়া বা তুলা (كُرْسُفْ) থাকিত। উহাতে পাণ্ডুবৰ্ণ ঋতুর রক্ত লাগিয়া থাকিত। তাহারা এই অবস্থায় নামায পড়া সম্পর্কে তাহার নিকট জানিতে চাহিতেন। তিনি [আয়েশা (রাঃ)] তাহাদিগকে বলিতেনঃ তাড়াহুড়া করিও না, যতক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ সাদা (বর্ণ) দেখিতে না পাও। তিনি ইহা দ্বারা ঋতু হইতে পবিত্রতা (طُهْر) বুঝাইতেন।(মুয়াত্তা মালিক-১২৭)


    মাসিক হওয়ার ট্যাবলেট এর নাম


    মাসিক নিয়মিত হওয়ার জন্য ( Renata Limited) কোম্পানির নাম প্রচলিত একটি মেডিসিন নাম হলো Normens। 5MG এই ট্যাবলেটগুলো আমাদের শরীরের ন্যাচারাল হরমোনের ওপর কাজ করে থাকে এবং যাদের মাসিকের সমস্যা আছে তাদের অনিয়মিত মাসিক থেকে মুক্তি করে দেয় ।


    পিরিয়ডসের উপর ইস্ট্রোজেন আর প্রোজেস্টেরন এই দুইয়ের প্রভাব থাকে। এই ডিলেয়িং ট্যাবলেটের মধ্যে Norethisterone নামের একটি যৌগ উপস্থিত থাকে যা কৃত্রিম ভাবে প্রোজেস্টেরনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। যার ফলে পিরিয়ডস পিছিয়ে যায়।


    পিরিয়ড ডিলেয়িং ট্যাবলেটের ধরন?


    মূলত এই ট্যাবলেট দু-রকমের হয়। এই ওষুধগুলির তিনটি ভাগ থাকে এবং খাওয়ার নিয়মও আলাদা।


    মিনি পিল


    মিনি পিল-এই ওষুধে একটা পাতায় সাতটা ট্যাবলেট থাকে। আর এই ওষুধ ইস্ট্রোজেনের ক্ষরণ কমিয়ে দেয়। একটা পাতা শেষ হলে কোনও গ্যাপ না দিয়েই অন্য পাতা শুরু করা যেতে পারে।


    ফেজিক পিল বা ফেমিকন পিল এর দাম


    ফেজিক পিল-একটা প্যাকেটে ২১ টা করে ট্যাবলেট থাকে। প্রতি সাতটার রঙের তারতম্য থাকে। একটা একটা রং ভিন্ন হরমোনের জন্য।


    একটা ওষুধ আজ খেলে ঠিক সাতদিন পর একই সময় মেনে বাকি ওষুধ খেতে হবে। মোটামুটি এই রকম একটা নিয়ম থাকে।

    Post a Comment

    নবীনতর পূর্বতন