হোটেলে দেহ ব্যবসা আটক ৫ তরুণী


হোটেলে দেহ ব্যবসা
হোটেলে দেহ ব্যবসা করে আটক 


কর্ম মুখর রাজধানীতে যে শুধু মাত্র কাজই চলে তা কিন্ত নয়! এখানে কাজের পাশাপাশি চলে রাজনীতি হোটেলে দেহ ব্যবসা পতিতাবৃত্তি সহ বাসায় দেহ ব্যবসা আরও নানান কর্মকাণ্ড। অনেকেই ঢাকার দেহ ব্যবসার ঠিকানা বিলি করেন প্রশাসনের চোখের সামনেই। 


 রাজধানীর নানান এলাকায় হোটেলে দেহ ব্যবসা মাজে মধ্যেই ধরা পরে, ঢাকার উত্তরায় আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন, শ্রমিক লীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের সহসভাপতি "মাজেদ খানের" মালিকানাধীন ‘রিভার ওয়েভ’ নামের হোটেলে অভিযান চালিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন।


রাতে পরিচালিত ওই অভিযানে নগদ টাকা, মাদক এবং ক্যাসিনো সরঞ্জামসহ ৩১ নারী-পুরুষকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৫ জনই ছিলো নারী


র‌্যাব জানিয়েছে, উত্তরার ১০নং সেক্টর রানাভোলা এভিনিউ সড়কের ২২১ নং হাউসের, ২৩/২৪ নং রোডসংলগ্ন ‘রিভার ওয়েভ’ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে গভীর রাত পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়।


আটকদের মধ্যে পাঁচজন তরুণী এবং পুরুষ ২৬ জন রয়েছে। এর মধ্যে বিদেশি নাগরিকও রয়েছে বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

ঢাকার এসকল অনৈতিক কর্মকাণ্ডের শাস্তি কি হয় কিংবা পুলিশ কেন এদেরকে দেখেও না দেখার ভান করে থাকে। দেহ ব্যবসা কারা পরিচালিত করে থাকে এসব তত্ত্ব কেন জানার পরও প্রশাসন চুপ হয়ে আছে তা সাধারণ মানুষের বোধগম্য নয়। 


ঢাকার দেহ ব্যবসা পরিচালনা করে রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিরা, অনেকেই মনে করেন ঢাকার দেহ ব্যবসার ঠিকানা বিলি বন্ধ করতে পারলেই অনেকটাই রোধ করা যেত এ সকল অনৈতিক কর্মকাণ্ড। পতিতাবৃত্তি পেশায় জরিত মানুষদের কর্ম সংস্থান করা গেলেও অনেকটা কমে যেত প্রফেশনাল দেহ ব্যবসা৷ 


 মূলত ঢাকা শহরের আবাসিক হোটেল গুলোতে কিংবা আবাসিক এলাকাগুলোতে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে সকল ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে একদল অসাধু ও নৈতিক চরিত্রের লোক।  পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করলে যে সকল দেহ ব্যবসায়ীদের আটক করা সম্ভব।


আর্টিকেলটি সকলের মাজে শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন। নিয়মিত এরকম ছরিয়ে ছিটিয়ে থাকা খবর জানতে জানবো বিডি ২৪ কে ভিজিট করুন

Post a Comment

অপেক্ষাকৃত নতুন পুরনো