প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট কোনটা ভালো বাজারে প্রচলিত প্রায় সব প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিটই ৯৯% পর্যন্ত নির্ভুল ফলাফল দেয়। বাংলাদেশে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও জনপ্রিয় কয়েকটি কিট হলো: গেট শিওর (Get Sure), সিওর টেস্ট (Sure Test), নোভা (Nova), এবং ক্লিয়ারব্লু (Clearblue)।
প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট কোনটা ভালো
মূলত কিটের কার্যকারিতা সবার একই রকম, পার্থক্য শুধু ব্যবহারের ধরনে। সঠিক ফলাফলের জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখা দরকার:
টেস্ট করার সময়: পিরিয়ড মিস হওয়ার প্রথম দিনই টেস্ট করা যায়। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর পরই টেস্ট করা সবচেয়ে ভালো, কারণ তখন প্রস্রাবে হরমোনের ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি থাকে।
পদ্ধতি: কিটের প্যাকেটে দেওয়া ড্রপারের সাহায্যে প্রস্রাবের কয়েক ফোঁটা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হয়।
ফলাফল: কিটে দুটি দাগ (লাইন) আসলে পজিটিভ (গর্ভবতী) এবং একটি দাগ আসলে নেগেটিভ।
পরামর্শ: রেজাল্ট পজিটিভ বা নেগেটিভ যাই আসুক না কেন, নিশ্চিত হওয়ার জন্য মাতৃত্ব ব্লগে উল্লেখিত পরামর্শ অনুযায়ী কিছুদিন পর চিকিৎসকের সাথে দেখা করে রক্ত পরীক্ষা বা আল্ট্রাসনোগ্রাম করে নেওয়া উচিত।
বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট পাওয়া যায়, যার প্রায় সবগুলিই মোটামুটি একই প্রযুক্তি (HCG হরমোন শনাক্তকরণ) ব্যবহার করে এবং বেশ নির্ভুল ফলাফল দেয়। বাংলাদেশে সচরাচর পাওয়া যায় এমন কিছু জনপ্রিয় ব্র্যান্ড হলো:
Sure Test
Nova
Advantage
Easy Check

কিট ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু জরুরি পরামর্শ:
১. সঠিক সময়: পিরিয়ড মিস হওয়ার অন্তত ১-৩ দিন পর পরীক্ষা করলে সবচেয়ে সঠিক ফলাফল পাওয়া যায়। খুব দ্রুত পরীক্ষা করলে অনেক সময় হরমোনের মাত্রা কম থাকায় ভুল ফলাফল আসতে পারে।
২. সকালের প্রস্রাব: ঘুম থেকে ওঠার পর প্রথম প্রস্রাব ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো, কারণ এতে হরমোনের ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি থাকে।
৩. নির্দেশনা অনুসরণ: প্রতিটি কিটের প্যাকেটের ভেতরে ব্যবহারের নিয়মাবলী দেওয়া থাকে। যেহেতু প্রতিটি ব্র্যান্ডের ব্যবহারের পদ্ধতিতে সামান্য ভিন্নতা থাকতে পারে, তাই ব্যবহারের আগে প্যাকেটের নির্দেশিকাটি অবশ্যই ভালো করে পড়ে নেবেন।
৪. ফলাফল নিশ্চিতকরণ: যদি ফলাফল পজিটিভ আসে, তবে সেটি নিশ্চিত হওয়ার জন্য একজন গাইনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজনে রক্ত পরীক্ষা (Beta-HCG) করা জরুরি।

আপনি আপনার নিকটস্থ যেকোনো ভালো ফার্মেসি থেকে এই ব্র্যান্ডগুলোর যেকোনো একটি কিনতে পারেন। কেনার সময় অবশ্যই কিটের এক্সপায়ারি ডেট বা মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ দেখে নেবেন।
আপনি কি কোনো নির্দিষ্ট শারীরিক সমস্যার কারণে এই টেস্টটি করতে চাচ্ছেন, নাকি এটি কেবল একটি সাধারণ জিজ্ঞাসা?
