সর্দির ট্যাবলেট ১০ টি ভালো ঔষধ

সর্দির ট্যাবলেট
 ১০ টি সর্দির ট্যাবলেট ভালো ঔষধ 


১০ টি সর্দির ট্যাবলেট / সর্দির ট্যাবলেট এর নাম

সর্দির ঔষধ: জ্বর বা ঠান্ডা লাগলে কি করবেন সর্দির ট্যাবলেট এর নাম কি আপনি কোন ধরনের সর্দির ট্যাবলেট কিনবেন ? সর্দির ট্যাবলেট কোথায় পাওয়া যায় এবং ভালো সর্দির ট্যাবলেট এর নাম এসকল কিছু জানতে পুরো আর্টিকেলটি ভালো করে পড়তে থাকুন। 


সর্দি কি

আমাদের কোন না কোন সময় সর্দি লেগেছে হয়তো সর্দি বেশিদিন স্থায়ী হয়েছে নয় তো খুব সামান্য সময়ের জন্য সর্দি লেগে ছিল।  সর্দি হলে আমাদের নাক দিয়ে জল বের হয় অনেক সময় নাক বন্ধ হয়ে যায় সর্দির সাথে যুক্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।  সর্দি যেহেতু নাসারন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায় সুতরাং এর ওষুধ অনেকেই খুঁজে থাকে চলুন জেনে নিই কয়েকটি সর্দির ঔষধ এর নাম।

আরো পড়ুনঃ ছেলেদের লিঙ্গ ইঞ্চি মোটা ইঞ্চি লম্বা করার ঔষধ


সর্দির উপসর্গ কি

১, সর্দির হওয়ার প্রথম উপসর্গটি হচ্ছে নাক দিয়ে পানি ঝরা। 

২, কোন কিছুর গন্ধ নেয়ার ক্ষেত্রে পরিবর্তন টের পাওয়া। 

৩, সর্দি হলে নাক ভারি হয়ে আসে নাক দিয়ে অনবরত পানি ঝরার কারণে এটি হয়ে থাকে। 

৪,শরীরে জ্বর জ্বর অনুভূত হওয়া কিংবা জ্বর থাকা

৫,শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া কিংবা ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা অনুভূতি অনুভব করা।

৬,হালকা থেকে মাঝারি ধরনের মাথা ব্যাথা অনুভব করা


১০ টি সর্দির ট্যাবলেট এর নাম

আমার মত হয়তো অনেকেই রয়েছেন যারা হিস্টাসিন ঔষধটি সর্দির ঔষধ হিসাবে অনেকবারই খেয়েছেন আমি ছোটবেলা থেকে যখনই একটু ঠান্ডা হয়তো বা নাক দিয়ে পানি ঝরতে তখন কিনে খেয়ে নিতাম।  আমার ছোটবেলায় হিস্টাসিন ঔষধের মূল্য ছিল খুবই কম প্রতি পাতায় হিস্টাসিন ওষুধের মূল্য ছিল মাত্র 2 টাকা করে।  যদিও বর্তমানে প্রতীক পাতা হিস্টাসিন 5 টাকা করে নেয়া হয়ে থাকে।


👉👉 টাইটান জেল পুরুষের লিঙ্গ এক থেকে তিন ইঞ্চি পর্যন্ত বড় মোটা করে।


সর্দির ট্যাবলেট এর নাম কি

 

 হিস্টাসিন মূলত সর্দির ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করা হয় কিনা সে সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি তবে অংশটি এলার্জির জন্য ভালো কাজ করে যাদের অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে তারা এই ঔষধটি খেতে পারেন এবং আপনার অ্যালার্জির সমস্যা অনেকাংশে কমে যাবে। একই সাথে হিস্টাসিন খাওয়ার পর আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে এটি খাওয়ার পর থেকেই সর্দি অনেকাংশে কমে গেছে তবে নানাবিধ বড় ধরনের সমস্যার কারণে তৈরি হয় সর্দি এটি সারিয়ে তুলতে একটু সময় লাগে কখনো কখনো ব্যর্থ হয়। 


 তবে আপনি এই ঔষধটি খেয়ে দেখতে পারেন আপনার সর্দিতে এটি ভালো কাজ করে কিনা তবে ঔষধ খাওয়ার পূর্বে অবশ্যই একজন ভাল ডাক্তার কিংবা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন বিশেষজ্ঞ বলতে যারা ফার্মেসিতে অনেকদিন ঔষধ বিক্রি করে অভিজ্ঞ তাদের থেকেও পরামর্শ নিতে পারেন।

 আরো পড়ুনঃ মাত্র সপ্তাহে মোটা হওয়ার ঔষধের নাম দাম ২২০ টাকা।

সর্দির ট্যাবলেট এর নাম

সর্দির ঔষধ হিসাবে হিস্টাসিন হিস্টালেক্স ব্যবহার করতে পারেন উপরে আমরা হিস্টাসিন সম্পর্কে বলেছি এবার হিস্টালেক্স সম্পর্কে বলব আমরা কতটা পরিচিত না যতটা পরিচিত হিসটাসিনের সাথে।  তবে ঔষধ দুটি পাশাপাশি নাম হওয়ার কারণে অনেকের কাছেই পরিচিত মনে হয় যেমন হিস্টাসিন নামের দিক থেকে খুব বেশি পার্থক্য নেই কাজের দিক থেকে দুটি ধরন একই। 

সর্দির ট্যাবলেট এর নাম


 দামের দিক থেকে এই ঔষধটি দাম খুবই কম প্রতিষ্ঠাতা আপনার থেকে 5 টাকা কিংবা দোকান থেকে সর্বোচ্চ 10 টাকা নিতে পারে যেহেতু 10 পিছ থাকে তাই অনেক সময় 10 টাকা নিয়ে থাকে আবার অনেকে পাঁচ টাকা নিয়ে থাকে।  তবে দামের তুলনায় ঔষধের কাজ অনেক ভালো হলে পাঁচ টাকা দশ টাকা দিয়ে কেনা কোন ব্যাপার নয় সর্দির জন্য এই ঔষধটি খেতে পারেন তবে পরিমিত মাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত খাবেন না। 

আরো পরুনঃ মোটা হওয়ার পিউটন সিরাপ কিনুন ৩০০ টাকা 

 গুগোল ইউটিউব কিভাবে ফেসবুক থেকে ঔষধ থেকে সেটা ওষধ খাওয়া খুবই বোকামি হবে কারণ আপনার সমস্যার জন্য একজন নিকটস্থ ডাক্তার কিংবা নিকটস্থ পরামর্শকের থেকে পরামর্শ নিতে পারেন ইন্টারনেটে আপনি এ সম্পর্কে সামান্য তথ্য জানতে পারেন।


সর্দির ট্যাবলেট এর নাম কি

সর্দি এলার্জি দূর করার জন্য আরও একটি দারুণ ঔষধ হচ্ছে রুপা। দামে সস্তা কাজে ভালো ঔষধ সর্দি এলার্জি দূর করার জন্য চমৎকার কাজ করে থাকে আপনার সামান্য সর্দি দূর করার জন্য আপনি ব্যবহার করতে পারেন তবে সেটি কোন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী। 


সর্দির ট্যাবলেট বাংলাদেশ


 আমাদের আর্টিকেলটি পড়ে কিংবা আমাদের তথ্যগুলো জেনে আপনি ঔষধ ঠিকানা থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকুন কারণ আপনি এটা কিনে যদি প্রতারিত কিংবা সাইডিফেক বা 500 প্রতীক্ষায় শরণাপন্ন হন তাহলে তার জন্য আমরা দায়ী থাকব না।


সর্দির ট্যাবলেট বাংলাদেশ

সর্দির জন্য সাধারণত কম দামের ঔষধ খাওয়া হয়ে থাকে। সর্দির জন্য জনপ্রিয় কয়েকটি ঔষধ হলো হিস্টাসিন, হিস্টালেক্স, রুপা ইত্যাদি। স্বল্প দামে হাতের নাগালে পাওয়া এ সকল ঔষধ খেয়ে দেখতে পারেন আপনার সর্দি চলে যায় কিনা।


সর্দি হলে এন্টিবায়োটিক খাওয়া যাবে কি

 অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের পূর্বে আমাদেরকে অবশ্যই জেনে নেয়া উচিত অ্যান্টিবায়োটিক কোন ক্ষেত্রে সেবন করা উচিত আর কোন কোন ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক এড়িয়ে চলা উচিত। 

 সর্দি ঠান্ডা হল ভাইরাস ঘটিত একটি রোগের এন্টিবায়োটিক ভাইরাসের বিরুদ্ধে অকার্যকর তাই এসব খেতে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করলে কোন কাজ হবে না তাই এক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার না করাটাই সবচাইতে ভালো।

 আরো পড়ুনঃ মেয়েদের দুধ ছোট করার ঔষধ

আরো পড়ুনঃ মেয়েদের দুধ বড় করার ঔষধ


সর্দি হলে কীভাবে সারবে: 

খুব ভালো কাজ হয় স্টিম ইনহেল করলে, তাতে আপনার শ্বাসনালীর সমস্ত বাধা সরে যায়৷ ফর্টিস আনন্দপুর হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত ইন্টারনাল মেডিসিনের ডাক্তার মনীশ গাঙ্গুলি বলছেন, ‘‘দিনে দু’বার স্টিম নেওয়ার পাশাপাশি অ্যান্টি অ্যালার্জিক ওষুধ খেলেই সাধারণত সমস্যা সেরে যায়৷ যাঁরা খুব অ্যালার্জিতে ভোগেন তাঁর ডিসপোজ়েবল মাস্ক ব্যবহার করতে আরম্ভ করুন ঋতু বদলের সময়টায় অন্তত৷’

গলার কাছটায় আরামের জন্য উষ্ণ জলে অ্যাপল সাইডার ভিনিগার আর মধু মিশিয়ে খেতে পারেন৷ আদা আর মধু দিয়ে চা খাওয়াও চলে৷ দুধ আর কাঁচা হলুদ বেশ করে ফুটিয়ে পান করুন, শরীরের ভিতরের সব ইনফেকশন কমাতে তা কার্যকর৷  


আমাদের সর্দির ট্যাবলেট নিয়ে লিখিত আর্টিকেলটি সম্পর্কে আপনার চেয়ে কোন ধরনের পরামর্শ কিংবা মন্তব্য অবশ্য লিখে জানাতে পারেন আপনার।  সর্দি উপ-সভাপতি কারে আপনার বাস্তব কোনো অভিজ্ঞতা থাকলে সে সম্পর্কে অন্যদের সাহায্য করার জন্য অবশ্যই কমেন্ট করুন।

আরো কিনুনঃ জানালার পর্দা কালো কালার গোল ফুল
আরো কিনুনঃ জানালার পর্দা লাল কালার গোল ফুল
আরো কিনুনঃ জানালার পর্দা নিল কালার গোল ফুল

আরো কিনুনঃ জানালার পর্দা কালো কালার চারকোনা ফুল নান্দনিক ডিজাইন
আরো কিনুনঃ জানালার পর্দা লাল কালার চারকোনা ফুল নান্দনিক ডিজাইন
আরো কিনুনঃ জানালার পর্দা নিল কালার চারকোনা ফুল নান্দনিক ডিজাইন

আরো কিনুনঃ জানালার পর্দা কালো কালার ফুল নান্দনিক ডিজাইন
আরো কিনুনঃ জানালার পর্দা লাল কালার ফুল নান্দনিক ডিজাইন
আরো কিনুনঃ জানালার পর্দা নিল কালার ফুল নান্দনিক ডিজাইন


2 Comments

  1. ৩ দিন হলো সর্দি, এখন কি ঔষধ খাবো, পোস্ট কতি পক্ষের কাছে জানতে চাছি

    ReplyDelete
  2. আমার ঠান্ডা এবং মাথা ব্যথা তার জন্য কি করতে পারি।

    ReplyDelete

Post a Comment

Previous Post Next Post