(Moriom Full) মরিয়ম ফুল এর উপকারিতা ও ভেষজ গুণ
*****************************************************
মরিয়ম ফুল এর উপকারিতা: মরুভূমির অসহনীয় গরমের মধ্যে থাকা শুকনো এই গাছ ক্রমে নির্জীব পাথরের মতো হয়ে পড়ে। কখনো বৃষ্টির পরশ পেলে জীবন ফিরে পায় এবং এর বংশ বিস্তার ঘটে। এই গাছের ফুলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, দস্তা এবং লোহা। বিশেষত, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম একসঙ্গে পেশি সংকোচন নিয়ন্ত্রণ করে। সমস্ত সপুষ্পক উদ্ভিদের ফুল ফোটে ও এরা উদ্ভিদের বংশবিস্তারে সাহায্য করে। ফুলের জৈবিক কাজ হলো প্রজনন সহজতর করা, সাধারনত ডিম্বানু দিয়ে শুক্রানু মিলনের জন্য একটি প্রক্রিয়া সরবরাহ করে। পরাগায়ন দুই ধরনের। যথা:স্ব-পরাগায়ন এবং ক্রস পরাগায়ন। এটা বিশ্বাস করা হয় যে মরিয়ম প্রসবের সময় সাহায্য করে- সন্তান প্রসব! এটিও বলা হয় যে পাতাগুলি গর্ভাশয়কে শক্তিশালী করতে এবং গর্ভধারণের জন্য ভাল ব্যবহার করা হয় । এই ভেষজ উদ্ভিদের পাতা উহুদ পর্বতের নিকটবর্তী বাজারে পাওয়া যায় – পবিত্র শহর মদীনার এক অংশে।
মরিয়ম ফুলের ব্যবহার? মরিয়ম ফুল এর উপকারিতা?
কিছু জায়গায়, এটি প্রসবের সময় ধূপ হিসাবে পুড়িয়ে, জলপাই তেল এবং মধুর সাথে মিশ্রিত গুঁড়ো তৈরি করা হয় এবং তাজা পাতা থেকে তরল হিসাবে কনজেক্টিভাইটিস এবং চোখের অন্যান্য সমস্যার চিকিত্সা হিসাবে ব্যবহৃত হয়। এটি ইউরোপে যাওয়ার পথও তৈরি করেছে যেখানে এটি ক্রিসমাস উদযাপনে ব্যবহৃত হয়।
মরিয়ম ফুল সৌদি আরব কোথায় পাওয়া যায়?
মরিয়ম ফুল জন্মে মরু অঞ্চলে। মধ্যপ্রাচ্য ও সাহারার বিস্তীর্ণ মরু অঞ্চলে বছরের পর বছর শুকনো গাছ মাটি আঁকড়ে থাকে। এর বৈজ্ঞানিক নাম Anastatica hierochuntica (অ্যানাস্ট্যাটিকা হাইরোচুনটিকা)। মরুভূমির অসহনীয় গরমের মধ্যে থাকা শুকনো এই গাছ ক্রমে নির্জীব পাথরের মতো হয়ে পড়ে। মরিয়মের ফুল একটি হাতিয়ার মিডওয়াইফরা কয়েক শতাব্দী ধরে উত্তর আফ্রিকা, সৌদি আরব, ইরান, পাকিস্তান এবং মালয়েশিয়ায় ব্যবহার করে আসছে। এটি এই অঞ্চলে ভেষজ প্রতিকারে ব্যবহৃত হয়, তবে প্রথাগতভাবে প্রসবের সময় চাক্ষুষভাবে ফোকাস করার মতো কিছু হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
মরিয়ম ফুল কি কাজ করে?
অনেকে হজ করতে গিয়ে এই ফুল কিনে নিয়ে আসেন এবং এর পানি দ্বারা উপকার গ্রহণ করে থাকেন। অনেকে মনে করেন, মরিয়ম ফুলের পাপড়ি ভিজিয়ে পানি পান করলে প্রসবকালীন ব্যথা লাঘব হয় এবং সহজে প্রসব হয়। আবার কারো কারো বিশ্বাস, এই ফুল শুঁকেই নাকি মারইয়াম (আ.) গর্ভে সন্তান লাভ করেছিলেন। মরিয়ম ফুলের গুনাগুন কি: মরুভূমির অসহনীয় গরমের মধ্যে থাকা শুকনো এই গাছ ক্রমে নির্জীব পাথরের মতো হয়ে পড়ে। কখনো বৃষ্টির পরশ পেলে জীবন ফিরে পায় এবং এর বংশ বিস্তার ঘটে। এই গাছের ফুলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, দস্তা এবং লোহা।বিশেষত, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম একসঙ্গে পেশি সংকোচন নিয়ন্ত্রণ করে। মরিয়ম ফুলের পানি খেলে কি হয়: বিশেষত, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম একসঙ্গে পেশি সংকোচন নিয়ন্ত্রণ করে। এর কোনো নেতিবাচক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। অনেকে হজের সময় সঙ্গে মরিয়ম ফুল নিয়ে আসেন। আবার মরিয়ম ফুলের পাপড়ি ভিজিয়ে রেখে সেই ফুলের পানি পান করলে নরমাল ডেলিভারি হওয়ার কথা সমাজে প্রচলিত।
গর্ভাবস্থায় মরিয়ম ফুলের ব্যবহার: বিশেষত, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম একসঙ্গে পেশী সংকোচন নিয়ন্ত্রণ করে এর কোন নেতিবাচক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। কী কাজ করে? প্রসবকালীন সময় এই ফুল বিশেষ প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করতে হয়। এতে প্রসূতি মায়ের প্রবস বদেনা লাঘব হয় এবং দ্রুত ও সহজে ডেলিভারী সম্পন্ন করা যায়। মরিয়ম ফুল কিভাবে ব্যবহার করতে হয়: কোথা থেকে এল মরিয়ম ফুল: আবার মরিয়ম ফুলের পাপড়ি ভিজিয়ে রেখে সেই ফুলের পানি পান করলে নরমাল ডেলিভারি হওয়ার কথা সমাজে প্রচলিত। তবে এসব নিয়ে সঠিক কোন হাদিস পাওয়া যায়নি। তবে ভেষজ উদ্ভিদীয় চিকিৎসা হিসেবে এটি ব্যবহার করা যায়। যেহেতু এই গাছের ফুলে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, দস্তা ও লোহা।
▶️মরিয়ম ফুলের উপকারিতা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই।
শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এর ব্যবহার হয়ে আসছে বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের প্রসবকালীন সময়ে এই ফুলের ব্যবহার আবশ্যক। ঐতিহ্যবাহী ধাত্রীরা শত শত বছর ধরে প্রসবকালীন সময়ে মায়ের ব্যথা লাঘব করার জন্য এই ফুলের ব্যবহার করছেন।
এই ফুলকে হযরত ঈসা আঃ এর মায়ের নাম নামানুসারে ‘মরিয়ম ফুল বা মরিয়ম বুটি’, নবী সাঃ এর কন্যা ফাতিমার নামানুসারে "ফাতিমার হাত বা হ্যান্ড অব ফাতিমা" এবং এর বৈশিষ্ট্য অনুসারে ‘পুনরুত্থান উদ্ভিদ’ বলা হয়।
কারণ এই ফুল দেখতে খটখটে শুকনো ও মরা মনে হয়। কিন্তু কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখলেই তরতর করে পাপড়ি মেলতে শুরু করে। অল্প সময়ের মধ্যেই ফুটন্ত ফুলের মতো তাজা আর পরিপূর্ণ প্রস্ফুটিত হয়ে যায়। এ এক আশ্চর্য ফুল। অনেকেই হজ্বে গিয়ে এই মরিয়ম ফুল নিয়ে আসেন অথবা অন্যকে দিয়ে আনান।
মহানবীর যুগে প্রচলিত বিবি মরিয়মের ইতিহাস থেকে জানা যায় যে এই কুদরতি ফুলটি আল্লাহর রহমতে গর্ভবতী হতেও সহায়তা করে এবং লেবার পেইন কমিয়ে দ্রুত ও সহজে ডেলিভারী সম্পন্ন হয়ে যায়।
প্রসবকালীন সময়ঃ?
কোন বাচ্চা জন্মের সময় যখন ডেলিভারি ব্যথা উঠে তখন ফুলটিকে ডেলিভারি রুমে কোন খোলা বাসনে কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। ভিজালে ফুলটি আস্তে আস্তে ফুটতে থাকবে এবং যার ডেলিভারি হবে তার জড়ায়ুর মুখ খুলতে থাকবে। যতই ভিজতে থাকবে ও প্রষ্ফুটিত হতে থাকবে আল্লাহ্ তাআলার দয়ায় মরিয়ম বিবির ফুলের বরকতে বাচ্চার জন্ম খুব সহজ ভাবেই হবে। বেবী হয়ে গেলে পানি থেকে ফুলটি উঠিয়ে ফেলতে হয় এবং এই ফুলের কাজ শেষে পানি থেকে উঠিয়ে রাখলে আবার আগের মত ছোট হয় কারন এটি একাধিক বার ব্যবহারযোগ্য।
?গর্ভবতী হওয়ার জন্যঃ?
আর যারা বাচ্চা কন্সিভ করতে চান তারা শেকড় ভিজিয়ে রেখে তার পানিটা তাহাজ্জুদ নামাজের আগে এবং পরে নিয়ত করে খাবেন এবং এটি অবশ্যই ফযরের নামাজ পড়ার আগেই খেয়ে নিতে হবে।
