কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম

কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম


 কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম / কৃমি হওয়ার লক্ষণ

কৃমির ট্যাবলেট: কৃমি কখনো কখনো অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠে খাদ্য হজম করার জন্য এই কৃমির ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আজকের আর্টিকেলটিতে আমরা জানবো কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম এবং কৃমি হওয়ার লক্ষণ কি কি এর বাহিরে থাকবে কৃমি ট্যাবলেট এর নাম  এগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন এবং সকল তথ্য গুলো সঠিক ভাবে বুঝুন।


কৃমি হওয়ার লক্ষণ

১,শরীরে কৃমি হলে এর লক্ষন খুব বেশি প্রকাশ পায় না তবুও কিছু লক্ষণ ধরা বোঝা যায় শরীরে কৃমি বেশি মাত্রায় বেড়ে গেছে। 

২, পেটে ব্যথা খাদ্য হজমের অস্বস্তি বমি বমি ভাব ইত্যাদি দেখা দেওয়া কৃমির লক্ষণ। 

৩, ডায়রিয়া রক্তস্বল্পতা কিংবা ওজন কমে যাওয়া কিডনির অন্যতম আরেকটি লক্ষণ তবে এই লক্ষণগুলো শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। 


৪, কখনো কখনো কৃমির এসকল লক্ষণ প্রকাশ পায় আবার কখনো কৃমির লক্ষণ প্রকাশ পায় না। 

৫, অস্বাভাবিক মাত্রায় কৃমি বেড়ে গেলে মলদ্বারের চারিপাশ চুলকানি দেখা দিতে পারে। 

৬, উপরোক্ত লক্ষণগুলোর বাহিরেও আরো নানাবিধ লক্ষণ দেখা দিতে পারে আবার অনেক সময় কোনো লক্ষণ দেখা নাও যেতে পারে।

👉👉 মাটি ছাড়া বাসায় ধনেপাতা চাষ করুন ১২ মাস ? শিখে নিন চাষ পদ্ধতি


কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম

একজন পূর্ণ বয়স্ক প্রাপ্তবয়স্ক কিংবা অপ্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর কিরমির ট্যাবলেট খাওয়া উচিত।  তিন মাস পর পর কৃমির ঔষধ খাওয়ার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া সবচাইতে উত্তম কেননা চিকিৎসক আপনাকে শরীর সঠিক অনুযায়ী গাইডলাইন দিতে পারবে। 


 আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছে যারা মনে করে গরমকালে কৃমিনাশক ঔষধ খাওয়া যাবে না এ ধারণাটি একেবারেই ভুল। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতি তিন মাস পর পর কৃমির ঔষধ খেতে পারেন শিশু বয়স্ক বৃদ্ধ সকলে তিন মাস অন্তর অন্তর খেতে পারবে। 


কৃমির ট্যাবলেট এর নাম


 আমাদের অনেকের মতে আরো একটি ভ্রান্ত ধারণা প্রচলিত রয়েছে মিষ্টি জাতীয় খাবার খেলে কৃমির পরিমাণ বেড়ে যায় এটি কোন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ বা ভিত্তি নেই।  বড় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার খেলে বা অস্বাস্থ্যকর খাবার খেলে কৃমি আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 

👉👉 সাইয়েদুল ইস্তেগফার , ক্ষমা প্রার্থনার শ্রেষ্ঠ দোয়া আরবী


 কৃমির ওষুধ খাওয়ানো অনেকের মতে ভয় থাকে এতে নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে এ নিয়ে অনেক চিন্তিত মনে রাখবেন কৃমির ঔষধের কোন পার্শপ্রতিক্রিয়া সাইড ইফেক্ট নেই মাঝে মধ্যে একটু বমি ভাব পেট ফাঁপা সমস্যা দেখা দিতে পারে। 


 কৃমি থেকে বাচার জন্য খাওয়ার পূর্বে অবশ্যই হাত ভালো করে ধুয়ে নেবেন খাবার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে নিবেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ভাবে খাবার তৈরি করবেন না হলে কৃমিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বেড়ে যায়।


পানি অবশ্যই ফুটিয়ে বা বিশুদ্ধ করে পান করবেন। শাকসবজি ও মাংস খাওয়ার আগে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের আগে ভালো করে হাত ধুতে হবে। শিশুদের খাওয়ার আগে ও শৌচাগার ব্যবহারের পর সাবান দিয়ে কীভাবে ভালো করে হাত কচলে ধুতে হয়, তা শেখানো জরুরি।


কৃমির ট্যাবলেট এর নাম

আর্টিকেলটির এই অংশে আমরা কয়েকটি কৃমির ঔষধের নাম কোম্পানির নাম এবং এর দাম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরব, চলুন কয়েকটি কৃমির ঔষধের সাথে পরিচিত হই নেই এবং দাম জেনে নেই।

👉👉 ছেলে সন্তান লাভের উপায়, পুত্র সন্তান লাভের উপায় ?


Aben-DS Chewable Tablet

কৃমির জন্য বাজারে নানান ধরনের ঔষধ কিনতে পাওয়া যায়। এর মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য ঔষধ হলো এবেন ডি এস  400 এমজি পাওয়ারের এই ঔষধটি তৈরি করে থাকে টিম ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড। 


কৃমির ট্যাবলেট এর নাম


 প্রতিটি 400 এমজি কৃমির ঔষধের মূল্য 4 টাকা 50 পয়সা করে তবে দোকানদার আপনার থেকে 5 টাকা কিংবা এর থেকে বেশি নিতে পারে 4 টাকা 50 পয়সা কোম্পানীর নির্ধারিত মূল্য প্রতিপক্ষে সর্ব মোট 120 ঔষধ থাকে।  আমাদের আর্টিকেলটিতে আমরা শুধুমাত্র অংশটির নাম তুলে ধরলাম দাম সম্পর্কে কোনো সঠিক তথ্য আপনার বর্তমান দামের সাথে নাও মিলতে পারে।


Albamax DS Chewable Tablet

বাচ্চা কিংবা বয়স্ক সকলের কৃমি দূর করার আরেকটি ঔষধ হচ্ছে অ্যালবাম্যাক্স ডি এস। জিসকা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড কতৃক উৎপাদিত 400 মিলিগ্রাম এর এই ঔষধটি আপনার নিকটস্থ যে কোন ফার্মেসিতে কিনতে পাবেন তবে ছোট আকৃতির ফার্মেসীগুলোতে মাঝেমধ্যে স্টক নাও পেতে পারেন। 

Albamax DS Chewable Tablet


 প্রতিটি 400 এমজি ঔষধের মূল্য হচ্ছে ২.৮২ পয়সা করে তবে এটি কেবল কোম্পানীর নির্ধারিত মূল্য দোকানদার আপনার থেকে হয়তো বেশী নিতে পারে মূল্য সম্পর্কে আমরা সঠিক তথ্য দিতে পারেনি কারণ গুলো প্রতিনিয়ত কমে আবার বাড়ে। বর্তমান ও সঠিক মূল্য সম্পর্কে জানতে আপনার নিকটস্থ কোনো ফার্মেসীতে যোগাযোগ করুন ? 

👉 পুরুষের  লিঙ্গ  মোটা করা বড়  করার  আধুনিক  ঔষধ।


কৃমির ঔষধ গুলো খাওয়ার পদ্ধতি আপনার হয়েছে কিনা কিভাবে বুঝতে পারবে এ সম্পর্কে আমাদের আর্টিকেলটিতে আমরা আমাদের ভাষায় বলার চেষ্টা করেছি তবে এগুলো সরাসরি ফলো করার জন্য আমরা আপনাকে নির্দেশ দিব না আপনাকে মেয়ের সমস্যার জন্য আপনার পাশবর্তী একজন ডাক্তার কিংবা চিকিৎসকের শরণাপন্ন বা পরামর্শ নিতে পারেন। 


 আমাদের  কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ার নিয়ম আর্টিকেলগুলো ধারা প্রবাহিত হয় কখনো ঔষধ কিনা কিংবা ঔষধ সেবন থেকে অবশ্যই বিরত থাকুন আর্টিকেলটি সম্পর্কে আপনার যেকোন মন্তব্য কিংবা পরামর্শ কিংবা যে কোন উপদেশ থাকলে সেটি অবশ্য কমেন্টে লিখে আমাদেরকে জানাতে পারেন কিংবা অন্যদের মাঝে শেয়ার করতে পারেন আজকে এ পর্যন্তই ? 

👉👉 মাত্র সপ্তাহে মোটা হওয়ার ঔষধের নাম দাম ২২০ টাকা।


👉👉 জিনসিন সিরাপ সহবাসের রাজা মাত্র ৩৫০ টাকা (সীমিত অফার)


👉👉 জোকের তেল ব্যবহার করে লিঙ্গ মোটা করুন মাত্র 250 টাকা দিয়ে।


👉👉 টাইটান জেল পুরুষের লিঙ্গ এক থেকে তিন ইঞ্চি পর্যন্ত বড় মোটা করে।


👉👉 মেয়েদের স্তন বড় আকর্ষণীয় সুন্দর করে তোলার ঔষধ।



Post a Comment

Previous Post Next Post