হিজামার হাদিস
হিজামার হাদিসসমূহ
হিজামা হল একটি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি যাতে চামড়ার নীচে থেকে রক্ত বের করে দেওয়া হয়। এটি বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, যেমন মাথাব্যথা, সর্দি, গলাব্যথা, এবং জয়েন্টের ব্যথা।
আরো পড়ুনঃ ২
পিস চামড়ার বেল্ট ৬০০ টাকা কিনতে এখনই ক্লিক
করুন
আরো পড়ুনঃ
মোটা হওয়ার ইন্ডিয়ান গুড হেলথ কিনতে এখনই ক্লিক
করুন
হিজামার ফজিলত সম্পর্কে অনেক হাদিস বর্ণিত হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজেও হিজামা করাতেন এবং অন্যদেরকেও হিজামা করাতে উৎসাহিত করতেন।
**হিজামার হাদিসসমূহের মধ্যে কয়েকটি হল:**
* **আবূ কাবশাহ আল-আনমারী বর্ণনা করেন:**
> নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মাথার মাঝখানে এবং দু'কাঁধের মাঝ বরাবর রক্তমোক্ষণ করাতেন এবং বলতেন: যে ব্যক্তি নিজ দেহের এ অংশ থেকে রক্তমোক্ষণ করাবে, সে তার কোন রোগের চিকিৎসা না করালেও তার কোন ক্ষতি হবে না।
[সহীহ মুসলিম, হাদিস নং: 1577]
* **আবূ হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন:**
> নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: হিজামা হল সর্বোত্তম চিকিৎসা।
[সহীহ বুখারী, হাদিস নং: 5362]
* **জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রা.) বর্ণনা করেন:**
> নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: হিজামা হল একটি উপকারী চিকিৎসা।
[সহীহ মুসলিম, হাদিস নং: 1578]
হিজামার ফজিলত
হিজামার ফজিলত সম্পর্কে অনেক হাদিস বর্ণিত হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি হল:
* হিজামা বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় কার্যকর।
* হিজামা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
* হিজামা শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করে।
* হিজামা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
হিজামার পদ্ধতি
হিজামা করার জন্য প্রথমে হিজামা থেরাপিস্ট আক্রান্ত স্থানে ত্বক জীবাণুমুক্ত করে নেন। তারপর একটি চিকিত্সকেরা চামড়ার নীচে একটি ছোট ছিদ্র করে দেন। এরপর একটি কাচের বা সিরামিকের কাপ ছিদ্রের উপর লাগানো হয়। কাপের ভেতর একটি ভ্যাকুয়াম তৈরি হয়, যার ফলে চামড়ার নীচের রক্ত বের হয়ে আসে। হিজামা সাধারণত ১৫-৩০ মিনিট ধরে করা হয়।
হিজামা করার নিয়ম
হিজামা করার আগে একজন অভিজ্ঞ হিজামা থেরাপিস্টের সাথে পরামর্শ করা উচিত। হিজামা করার সময় কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। এর মধ্যে কয়েকটি হল:
* হিজামা করার আগে খালি পেটে থাকা উচিত।
* হিজামা করার পর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়া উচিত।
* হিজামা করার পর প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা উচিত।
হিজামার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
হিজামার সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হল:
* হিজামা করা স্থানে ব্যথা বা জ্বালাপোড়া
* হিজামা করা স্থানে লালচেভাব বা ফোলাভাব
* হিজামা করা স্থানে রক্ত জমাট বাঁধা
হিজামার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যদি বেশি হয়, তাহলে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত।
আরো পড়ুনঃ লুব্রিকেন্ট জেল কিনতে
এখনই
ক্লিক করুন
আরো পড়ুনঃম্যাজিক কনডম কিনতে
এখনই
ক্লিক করুন
আরো পড়ুনঃ দ্রুত চিকন হওয়ার ওষুধ DETOXI
SLIM কিনতে এখনই
ক্লিক করুন
হিজামার হাদিস ? হিজামার ফজিলত ? হিজামার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ? হিজামা করার নিয়ম ? হিজামার পদ্ধতি ? হিজামার হাদিসসমূহ



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন